Header Ads Widget

 

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা সুয়ারেজের




আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর ঘোষণা করলেন লুইস সুয়ারেজ। সাফল্য, ব্যর্থতা, বিতর্ক এক কথায় বর্ণময় কেরিয়ারের পরিসমাপ্তি হচ্ছে। দেশের জার্সিতে শেষ ম্যাচ খেলার কথা ঘোষণা করে দিলেন উরুগুয়ের তারকা ফুটবলার। আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেও ক্লাব ফুটবলে খেলা চালিয়ে যাবেন সুয়ারেজ।


বর্তমান উরুগুয়ের ফুটবলের অন্যতম আইকন ধরা হয় সুয়ারেজকে। ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বের ম্যাচ চলছে। শুক্রবার প্যারাগুয়ের বিরুদ্ধে খেলেই দেশের জার্সিকে বিদায় জানাবেন সুয়ারেজ। ২০২৬ বিশ্বকাপের দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বাছাইপর্বে শুক্রবার মন্টেভিডিওর সেন্টেনারিও স্টেডিয়ামে প্যারাগুয়ের মুখোমুখি হবে উরুগুয়ে, এই ম্যাচেই শেষবার তাঁকে দেশের জার্সিতে দেখা যাবে। 
বর্তমান উরুগুয়ের ফুটবলের অন্যতম আইকন ধরা হয় সুয়ারেজকে। ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বের ম্যাচ চলছে। শুক্রবার প্যারাগুয়ের বিরুদ্ধে খেলেই দেশের জার্সিকে বিদায় জানাবেন সুয়ারেজ। ২০২৬ বিশ্বকাপের দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বাছাইপর্বে শুক্রবার মন্টেভিডিওর সেন্টেনারিও স্টেডিয়ামে প্যারাগুয়ের মুখোমুখি হবে উরুগুয়ে, এই ম্যাচেই শেষবার তাঁকে দেশের জার্সিতে দেখা যাবে।
মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলনে সুয়ারেজ ঘোষণা করেন, দেশের হয়ে প্যারাগুয়ের বিরুদ্ধে আমি শেষ ম্যাচ খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। খেলার চোট-আঘাতের জন্য আমি অবসর নিচ্ছি না। কিংবা জাতীয় দলে আর ডাক পাব না, সেই বিষয়েও আমি কিছুই ভাবছি না। সিদ্ধান্তটা কঠিন ছিল, তবে এটাও ঠিক, দেশের জার্সিতে আমি আমার সবটা উজার করে দিয়েছি। আর আমার মধ্যেকার আগুন এখনও নেভেনি। 

সুয়ারেজ আরও বলেন, আমি চেয়েছিলাম আমার সন্তানেরা দেখুক আমি দেশের হয়ে খেলছি। শেষ গোলটা ওদের কাছে খুব আনন্দের ছিল। আমরা ট্রফি জিততে পারিনি। কিন্তু আমার সন্তানেরা খুশি হয়েছিল আমার গোলে।'
মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলনে সুয়ারেজ ঘোষণা করেন, দেশের হয়ে প্যারাগুয়ের বিরুদ্ধে আমি শেষ ম্যাচ খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। খেলার চোট-আঘাতের জন্য আমি অবসর নিচ্ছি না। কিংবা জাতীয় দলে আর ডাক পাব না, সেই বিষয়েও আমি কিছুই ভাবছি না। সিদ্ধান্তটা কঠিন ছিল, তবে এটাও ঠিক, দেশের জার্সিতে আমি আমার সবটা উজার করে দিয়েছি। আর আমার মধ্যেকার আগুন এখনও নেভেনি।"
সুয়ারেজ আরও বলেন, আমি চেয়েছিলাম আমার সন্তানেরা দেখুক আমি দেশের হয়ে খেলছি। শেষ গোলটা ওদের কাছে খুব আনন্দের ছিল। আমরা ট্রফি জিততে পারিনি। কিন্তু আমার সন্তানেরা খুশি হয়েছিল আমার গোলে।'

২০০৭ সালে উরুগুয়ের জাতীয় দলে অভিষেক ঘটে সুয়ারেজের। উরুগুয়ের জার্সিতে এখন পর্যন্ত ১৪২ ম্যাচ খেলেছেন তিনি। দেশের হয়ে সর্বাধিক ৬৯টি গোল আছে উরুগুয়ের। দেশের ফুটবলের ইতিহাসের টপ স্কোরারও তিনি।৬৯ জয়, ৪১ ড্র এবং ৩২ ম্যাচে হেরেছে উরুগুয়ে। জাতীয় দলের জার্সিতে ১১,১৯১ মিনিটে গোল করেছেন,উরুগুয়ের জার্সি চারটি বিশ্বকা খেলা সুয়ারেজ ২০১১ সালে জেতেন কোপা আমেরিকার ট্রফি। হয়েছিলেন টুর্নামেন্টের ফুটবলার।
২০১১ সালে কোপা আমেরিকা ট্রফি জয় প্রসঙ্গে সুয়ারেজ বলেন, আমি অনেক ভাগ্যবান এজন্য যে, কেরিয়ারে অনেক কিছু অর্জন করতে পেরেছি। তবে কোপা আমেরিকার শিরোপার সাথে আর কিছুর তুলনা হবে না আমার ক্ষেত্রে। ২০১১ সালে কোপা আমেরিকার শিরোপা জেতার স্মৃতিটা আমার জন্য সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্ত ছিল।'

যার মধ্যে অবশ্যই আসবে ২০১০-র বিশ্বকাপে ঘানার বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনালে সেই বিখ্যাত হ্যান্ডবলের মুহূর্ত। ইতালির ফুটবলার চেয়েল্লিনিকে কামড়ে দেওয়া নিয়েও কম বিতর্ক হয়নি, ফলে সাফল্যের সঙ্গেই বিতর্ক তাঁকে ঘিরে রেখেছিল।

চলতি বছরের কোপা আমেরিকায় তৃতীয় হয় উরুগুয়ে। পিছিয়ে পড়েও সুয়ারেজের গোলেই সমতা ফেরে। পরে কানাডাকে টাইব্রেকারে হারায় তাঁরা। বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে উরুগুয়ের ম্যাচ বাকি রয়েছে ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধেও। ১১ সেপ্টেম্বর হবে সেই ম্যাচ। কিন্তু সুয়ারেজ সেই ম্যাচ খেলবেন না।


Post a Comment

0 Comments